যে কারণে ঘর ভাঙল নিজেই জানালেন শবনম ফারিয়ার

সোমবার, নভেম্বর ৩০, ২০২০ ৫:৫১ পূর্বাহ্ণ

বন্ধুত্ব, চুটিয়ে প্রেম, বিয়ে এবং পৌনে দুই বছরের সংসার জীবনের ইতি টানলেন অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া ও হারুন অর রশীদ অপু। অপুকে ২৭ নভেম্বর ডিভোর্স দেন ফারিয়া। দুজনের সম্মতিতেই এ বিচ্ছেদ হয়েছে বলে জানিয়েছেন এ অভিনেত্রী। অপুর সঙ্গে ফারিয়ার পরিচয় ২০১৫ সাল থেকে। বিয়ে ২০১৯ সালে। মাঝখানের এই সময়টা দুজন দুজনকে চেনাজানার জন্য নেহায়েত কম না।

তবু কেন থেমে গেল তাদের পথচলা– এ নিয়ে ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীদের মনে প্রশ্নের শেষ নেই। সংসার ভেঙে কেন আলাদা হলো দুজনার পথ? শবনম ফারিয়া নিজেই জানালেন সে কথা। এ প্রসঙ্গে শবনম ফারিয়া বলেন, এই বিচ্ছেদের পেছনে তেমন কোনো কারণ নেই। একে অপরের প্রতি কোনো অভিযোগও নেই। দুজনই চেয়েছি নিজেদের মতো ভালো থাকতে, তাই আলাদা হওয়া।

তিনি আরও বলেন, আমি আর অপু অনেক দিন ধরেই চেষ্টা করেছি একসঙ্গে থাকতে! কিন্তু বিষয়টি একপর্যায়ে খুব কঠিন হয়ে যায়। চলতি বছরের শুরুতেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি– আমরা আর একসঙ্গে থাকতে চাই না। দুজনারই সমস্যা হচ্ছিল। তাই বৈবাহিক জীবনের অবসান ঘটিয়েছি।

বিয়ের পৌনে দুই বছর পরই বিচ্ছেদের মতো কঠিন সিদ্ধান্ত কেন- এমন প্রশ্নে দুই পরিবারের বোঝাবুঝির ঘাটতিকে কিছুটা দায়ী করেন এ অভিনেত্রী। ‘সমস্যা যতটা না আমাদের দুজনের, তার চেয়ে বেশি আমাদের দুই পরিবারের। আমার বাবা নেই, মাকে নিয়ে আমার পরিবার। তার ওপর আমি বিনোদন অঙ্গনে কাজ করি। আর দশজন মেয়ের বিবাহবিচ্ছেদ আর আমার বিবাহবিচ্ছেদ একেবারে ভিন্ন। অনেকভাবে চেষ্টা করেছি, যাতে সংসারটা টেকে। কিন্তু কোনোভাবেই সেটি আর সম্ভব হয়নি।’

তবে সাবেক স্বামীর সঙ্গে সম্পর্কে কোনো প্রকার তিক্ততা নেই বলে জানান ফারিয়া। পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে বিচ্ছেদের এই ধকল সামলাতে চেষ্টা করছেন তারা। ”বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে, কিন্তু ভালোবাসা বা বন্ধুত্বে বিচ্ছেদ হয়নি। যতদিন বেঁচে আছি, আমাদের ভালোবাসা ও বন্ধুত্ব থাকবে।” এদিকে ‘পারিবারিক কারণে, পারিবারিকভাবে ও পারিবারিক সম্মতিতে’ আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়েবিচ্ছেদে সম্পন্ন হয়েছে বলে শনিবার এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছেন শবনম ফারিয়া ও অপু।