এখানে রাত হলেই গভীর বিলে চলে যায় নৌকা, শুরু হয় অ’সামাজিক কার্যকলাপ

সোমবার, আগস্ট ২৬, ২০১৯ ৭:২০ অপরাহ্ণ

পাবনার চাটমোহরে চলতি বর্ষা মৌসুমে নৌ ভ্রমণ ও ভূরিভোজনের আড়ালে চলছে অসামাজিক কার্যকলাপ। এ খবর কানে গেছে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের। জানেন হান্ডিয়াল পু’লিশ ত’দন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জও। দিনে-রাতে প্রকাশ্য চলা এ কর্মকা’ণ্ড বন্ধ করতে আন্তরিকতা দেখা যায়নি পু’লিশসহ উপজে’লা প্রশাসনের। ক্ষুব্ধ বিলপাড়ের বাসিন্দারা।

সরেজমিনে উপজে’লার হান্ডিয়াল ও নিমাইচড়া বিলে দেখা গেছে, বেশিরভাগ ভ্রমণের নৌকার সামনে দৃষ্টিকটু পোশাকে নাচছেন নর্তকী’রা। সিনেমা স্টাইলে তাদের সঙ্গ দিচ্ছেন যুবক ও তরুণেরা। ছাউনির ভেতরেও চলছে নাচ। সেখানকার পরিবেশটা আরও লজ্জাজনক। তবে অন্য একটি নৌকার কাছাকাছি আসতেই নর্তকী’রা সামনের অংশে থেকে দ্রুত চলে যাচ্ছেন ছাউনির ভেতরে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেলো, কথিত এ সব নর্তকী’রা মূলত যৌ’নকর্মি। বিভিন্ন জে’লা ও উপজে’লা থেকে এদের মোটা অংকের টাকা দিয়ে আনা হচ্ছে। অ’ভিযোগ আছে, দিনে নাচের মাধ্যমে ‘আনন্দ’ দিলেও রাতে ঘটছে অসামাজিক কার্যকলাপ। একাধিক সূত্র জানিয়েছে, নর্তকী’ থাকা নৌকা গুলো গভীর বিলে চলে যায় রাতে। রাতভর বিলেই থাকে। এ ধরণের নৌকা গুলো বেশিরভাগ অংশ কৌশলে পর্দা দিয়ে ঢেকে রাখছেন নৌকার মালিকরা।

হান্ডিয়াল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কেএম জাকির হোসেন বললেন, আমিও শুনেছি। গ্রাম পু’লিশ দিয়ে টহল দেওয়া হচ্ছে। ওরা সংখ্যায় বেশি, তাই কিছু করা যায় না। এক বছর আগে চারজন নর্তকী’কে আ’ট’ক করে পু’লিশে দিয়েছিলাম। কিন্তু পরে পিছু হটেছি।

হান্ডিয়াল ত’দন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদ বলেন, দুই দিন আগে দুইজন মেয়েকে আ’ট’ক করে চাটমোহর থানায় হস্তান্তর করেছি। ভ্রাম্যমাণ আ’দালত চালানো হলে বন্ধ হতে পারে এ অসামাজিক কার্যকলাপ। তিনি আরও জানান, পু’লিশ দেখলে মেয়েরা পানিতে ঝাঁপ দেয়। এতে অঘটন ঘটলে সে দায় নেবে কে? উপজে’লা নির্বাহী কর্মক’র্তা সরকার অসীম কুমা’র বলেন, অসামাজিক কার্যকলাপ রুখতে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।