৫ বছর পর জানা গেলোঃ আ’সামি নয়, ধ-.র্ষ”ণ করেছে সাক্ষী

সোমবার, নভেম্বর ২, ২০২০ ১১:৪৪ পূর্বাহ্ণ

৫ বছর পর জানা গেলোঃ আ’সামি নয়-বরগুনায় ধ-.র্ষ”ণ মা’ম’লায় সা’ক্ষীকে যা’বজ্জী’বন কা’রাদ’ণ্ড দি’য়েছেন নারী ও শিশু নি’র্যাত’ন দ’মন ট্রা’ইব্যুনাল আ’দালতের বি’চারক। একই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা অ’র্থদ’ণ্ড ও অ’নাদায়ে আ’রো এক বছর কা’রাদ’ণ্ডের আ’দেশ দেয়া হয়। সেই সাথে এ ধ.র্ষ”ণ মাম’লার

আ’সামিরা খা’লাস পে’য়েছেন। রোববার নারী ও শিশু নি’র্যাত’ন দ’মন ট্রা’ইব্যুনালের বি’চারক জেলা জজ মো. হাফিজুর রহমান এ রা’য় ঘো’ষণা করেন। দ’ণ্ডপ্রা’প্ত আ’সামি হল, বরগুনা জেলাধীন পাথরঘাটা উপজেলার বাইনচটকি গ্রামের সেকা’ন্দার জোমাদ্দারের ছেলে সাবেক ইউপি সদস্য এমাদুল হক।

অ’পরদিকে খা’লাসপ্রাপ্তরা হলেন- একই গ্রামের খবির গাজীর ছেলে মোহসিন ও অহেদ খানের ছেলে মো’য়াজ্জেম। রায় ঘোষণার সময় দ’ণ্ডপ্রা’প্ত আ’সামি ও খা’লাস পাওয়া আ’সামিরা সকলেই আদা’লতে উপস্থিত ছি’লেন। মা’মলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি বরগুনা নারী ও শিশু নি’র্যাত’ন দ’মন

ট্রা’ইব্যুনালে খা’লাসপ্রাপ্ত আ’সামিদের বি’রুদ্ধে গ’ণধ.র্ষ”ণে’র মা’ম’লা করেন ওই একই গ্রামের এক গৃহবধূ। ওই মা’ম’লায় দ’ণ্ডপ্রা’প্ত আ’সামি এমাদুল হক চার নম্বর সাক্ষী ছিলেন। প্রথমে বাদীর অ’ভিযোগ ছিল ২০১৫ সালে ১৭ ফেব্রুয়ারি রাতে তার দশম শ্রেণি পড়ুয়া মেয়েকে গ’ণ’ধ.র্ষ”ণ করে খা’লাসপ্রা’প্ত

আ’সামিরা। কিন্তু এই মা’মলার ত’দন্তকারী কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম দ’ণ্ডপ্রা’প্ত আ’সামি এমাদুল হকের বিরু’দ্ধে ২০১৫ সালের ৮ জুলাই অ’ভিযোগপত্র দেন।পরে মা’ম’লার বাদী জানতে পারেন দ’ণ্ডপ্রা’প্ত আ’সামির সঙ্গে খা’লাস পাওয়া আ’সামিদের বি’রোধ ছিল। এ কারণে দ’ণ্ডপ্রা’প্ত আ’সামি বাদীর মে’য়েকে ধ.র্ষ”ণ করে ওই খা’লাস পাওয়া আ’সামিদের বি’রুদ্ধে মিথ্যা মা’ম’লা দা’য়ের করাতে স’হায়তা করে। ওই সময় দ’ণ্ডপ্রা’প্ত আ’সামিকে মা’মলার সা’ক্ষী করা হয়।bd-journal