সাব রেজিষ্ট্রি অফিসের পিওন কোটি কোটি টাকার মালিক

বৃহস্পতিবার, জুলাই ১৮, ২০১৯ ৬:০৫ পূর্বাহ্ণ

নড়াইল সদর সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের পিওন মো: তরিকুল ইসলাম ও তার স্ত্রী মিসেস নাসরিন বেগমের নামে বিজ্ঞ সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে ‘অসামজ্ঞস্যপূর্ণ সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিং’ এর দায়ে দুদক মামলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দুপুরে যশোর বিজ্ঞ সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত নড়াইল এর অধিক্ষেত্রের অধিনে মামলাটি করেন দুদক তদন্তকারি কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম মোড়ল। মামলা নং-১/২০১৯।

আসামী মো: তরিকুল ইসলাম, কালিয়া সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের সাবেক অফিস সহায়ক। বর্তমানে নড়াইল সদর সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের অফিস সহায়ক। সে নড়াইলের নড়াগাতী থানার গাছবাড়িয়া গ্রামের শাহাদাদ মুন্সির ছেলে। নড়াইল পৌরসভার ভাদুলীডাঙ্গায় তার ৫ কোটি টাকা মূল্যের আলিশান বাড়ি রয়েছে।

বর্তমানে সে এ বাড়িতেই বসবাস করে। মামলায় উল্লেখ্য করা হয়েছে, আসামী মোঃ তরিকুল ইসলাম ও তার স্ত্রী মিসেস নাসরিন বেগম কর্তৃক পরস্পরের সহায়তায় ১৬,৫২,৪৩৩. (ষোল লাখ বাহান্ন হাজার চারশত তেতত্রিশ) টাকার জ্ঞাত আয়ের সাথে অসামজ্ঞস্যপূর্ণ সম্পদ অর্জন করে রূপান্তর করে এবং তা দুদকে গোপন করে দখলে রাখার অপরাধে তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪ এর ২৬(২) , ২৭(১) এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ এর ৪ (২) ধারাসহ দঃ বিঃ ১০৯ ধারায় আপনার কার্যালয়ে বিজ্ঞ সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত, নড়াইল এর অধিক্ষেত্রাধীনে এ মামলা হয়।

উল্লেখ্য, তরিকুল ইসলাম ২০০১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর নড়াইল জেলা রেজিস্ট্রি অফিসে নৈশ প্রহরী পদে যোগদান করেন।

এরপর ২০০৩ সালের ৮ ফেব্রুয়ারী পিয়ন পদে পদোন্নতি পান। একই পদে ২০০৫ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি কালিয়ায় বদলী হন। কালিয়া অফিসে যোগদানের পর থেকেই শুরু হয় তরিকুলের অবৈধ আয় বাণিজ্য। খুব অল্প সময়ের মধ্যে তরিকুল ফুলে ফেপে উঠে। নামে বেনামে জেলার বিভিন্ন স্থানে কোটি কোটি টাকার সম্পদ গড়ে তুলে।