শুধু মাত্র এই একটি কারণে ভা’রত থেকে কোরবানির গরু আনবে না বাংলাদেশ

মঙ্গলবার, জুন ২৩, ২০২০ ৫:৪৯ অপরাহ্ণ

ভা’রত থেকে কোরবানির গরু আনবে না বাংলাদেশ-দেশীয় খামা’রিদের উৎসাহ দিতে এবার পবিত্র ঈদুল আজহার আগে ভা’রত থেকে গরু আনা হবে না। এ লক্ষে সীমান্তে ‘বিট খাটালের’ মাধ্যমে গরু আনার অনুমতিও দেয়া হয়নি। সোমবার (২২ জুন) শিল্প মন্ত্রণালয় অনলাইনে আয়োজিত

চামড়া শিল্পের উন্নয়নে সুপারিশ প্রদান ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন টাস্কফোর্সের দ্বিতীয় সভায় এ তথ্য জানান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের অ’তিরিক্ত সচিব (আনসার ও সীমান্ত) মো. সাহেদ আলী। তিনি বলেন, দেশীয় খামা’রিরা যাতে গবাদিপশুর ভালো দাম পান, তা

নিশ্চিত করতে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সভাটি অনলাইনে অনুষ্ঠিত হয়। এতে শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হু’মায়ূন, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়

ও দপ্তরের উচ্চপদস্থ কমৃক’র্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় জানানো হয়, আগামী বুধবার কোরবানির পশুর চামড়ার দর নির্ধারণ করা হবে। এছাড়া সভায় সিদ্ধান্ত হয়, কোরবানির চামড়া সংরক্ষণে স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং মৎস্য ও প্রা’ণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সহযোগিতা করবে।

এ সময় শিল্পমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে করো’না পরিস্থিতিতে চামড়া শিল্পকে ঘুরে দাঁড়াতে ট্যানারি মালিক, আড়াতদার, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীসহ খাত সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা করা হবে। পাশাপাশি স্থানীয় ফরিয়া, মৌসুমী ও সাধারণ ক্রেতাদের প্রণোদনার ব্যবস্থা করা হবে। এমনকি শহর থেকে গ্রামে যারা গেছেন

তাদের এ সুবিধা দিলে এগিয়ে আসবেন। সবাই উৎসাহিত হয়ে চামড়া কিনবেন। চামড়া কেনাবেচায় লাভ করার সুযোগ দিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উল্লেখ্য প্রা’ণিসম্পদ অধিদফতরে হিসাবে, বিগত কয়েক বছরে পবিত্র ঈদুল আজহায় দেশে ১ কোটি ১০ লাখের মতো পশু কোরবানি দেয়া হয়। এর মধ্যে গরু-মহিষ

থাকে ৪০ থেকে ৪৫ লাখ। সেটা দেশীয় খামা’রিদের গরু-মহিষ দিয়েই পূরণের আশা করছে সরকার। তাই ভা’রতীয় গরু আসা ঠেকানোর এমন ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। ভা’রতীয় গরু আসা কমে গেলে আমাদের দেশে গবাদিপশু পালন উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। তবে করো’না পরিস্থিতিতে এ বছর পশু কোরবানির সংখ্যা কমা’র আশ’ঙ্কা রয়েছে।