যে যে কারণে ব্য’থানাশক ওষুধ ‘টাপেন্টাডল’কে মা’দকদ্রব্য ঘোষণা

রবিবার, জুলাই ১২, ২০২০ ৮:১৮ পূর্বাহ্ণ

ব্য’থানাশক ওষুধ ‘টাপেন্টাডল’কে মা’দকদ্রব্য ঘোষণা-ব্য’থানাশক হিসেবে ব্যবহৃত ‘টাপেন্টাডল’ জাতীয় ওষুধকে মাদ’কদ্রব্য হিসেবে ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার। মা’দকসেবীরা এ জাতীয় ওষুধকে মা’দকের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করায় একে ‘খ’ শ্রেণির মাদ’কদ্রব্য

হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ৮ জুলাই মা’দকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আই’নের তফশিলে যুক্ত করে এ গেজেট প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়েছে, মাদ’কদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রস্তাবমতে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাসি বিভাগের সুপারিশের ভিত্তিতে মা’দকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আ’ইনের

৬৫ ধারা অনুযায়ী টাপেন্টাডলকে ‘খ’ শ্রেণির মাদ’কদ্রব্য হিসেবে তফসিভুক্ত করা হলো। বাংলাদেশে বিভিন্ন নামে এই ট্যাবলেট উৎপাদন করে গ্লোব ফার্মাসিটিউক্যালস লিমিটেড, এসকেএফ বাংলাদেশ লিমিটেড, অপসোনিন ফার্মা লিমিটেড এবং স্কয়ার ফার্মাসিটিউক্যালস লিমিটেড।

কোম্পানিভেদে প্রতি ট্যাবলেট ১২ টাকা থেকে ১৭ টাকা দরে বিক্রি হয়। মা’দকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, মাদ’কদ্রব্য হিসেবে ঘোষণা করায় এখন টাপেন্টাডল জাতীয় ট্যাবলেট উৎপাদন না করতে কোম্পানিগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে কোনো কোনো কোম্পানি এই ট্যাবলেটের উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে।

মাদ’কদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৬৫ ধারায় বলা হয়েছে, সরকার চাইলে গেজেটে প্রজ্ঞাপন জারি করে তফশিল সংশোধন করে কোনো মাদ’কদ্রব্যের নাম অন্তর্ভুক্ত বা বাদ দিতে পারবে। ধরন ও ব্যাপকতার ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ধরনের মা’দককে ‘ক’, ‘খ’ এবং ‘গ’ শ্রেণিতে ভাগ করে সেগুলোকে সময়ে সময়ে মাদ’কদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের তফসিলভুক্ত করা হয়।

মা’দকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আই’ন অনুযায়ী, তফসিলে উল্লেখিত কোনো দ্রব্য বা মা’দকদ্রব্যের সঙ্গে অন্য যে কোনো দ্রব্য একীভূত, মিশ্রিত বা দ্রবীভূত থাকলে সে-সব দ্রব্যকেও মাদ’কদ্রব্য হিসেবে গণ্য করা হয়।দাম কম হওয়ায় ও সহজে পাওয়া যায় বলে টাপেন্টাডল জাতীয় ব্য’থানাশক ট্যাবলেট নেশার সামগ্রী হিসেবে ব্যবহারের খবর কয়েক বছর ধরেই সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়ে আসছিল।

সূত্র: সমকাল।