মৃ’ত্যুর আগ মু’হূর্তে নানাকে যে গো’পন কথা ব’লেছিল নুর নাহার

শনিবার, অক্টোবর ৩১, ২০২০ ১১:০৭ পূর্বাহ্ণ

নানাকে যে গো’পন কথা ব’লেছিল নুর নাহার-বি’য়ের ৩৪ দিনের মা’থায় মা’রা যাওয়া টাঙ্গাইলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী নুর নাহার (১৪) মৃ’ত্যুর আ’গমূহুর্তে তার না’নাকে জ’ড়িয়ে ধরে ব’লেছিল, নানা ও (স্বামী) মা’নুষ না জা’নোয়ার, আমি (ছাত্রী) কত হা’তে পা’য়ে ধ’রেছি, সহ্য কর’তে পা’রছিনা

তাও ও (স্বামী) আ’মারে ছা’ড়ে নাই। র’ক্ত প’ড়তাছে, য’ন্ত্রণায় কু’কাইতাছি, দম ব’ন্ধ হ’য়ে আ’সছে, আ’মারে বাঁ’চতে দেন, তাও ও (স্বামী) আ’মারে ছাড়ে নাই। ও (স্বামী রাজিব) বলে প্রথম দিকে এরকম স’মস্যা হ’য়ই, ক’য়েকদিন পর ঠিক স’য়ে যা’বে, এ’মনটাই বলতে বলতে মৃ’ত্যুর কো’লে ঢ’লে

পড়ে বলে জানা’ন নানা লাল খান। বি’লাপের স্বরে কথাগুলো ব’লতে বলতে অ’জ্ঞান হয়ে প’ড়েন ছা’ত্রীটির না’না। নুর নাহারের নানা লাল খান বলেন, আমার মে’য়ের জামাইর অ’ভাবের কারণে নুর না’হারকে ছোটবেলাতেই আমার বা’ড়িতে নিয়ে আসি। দিন’মজুরি করেই তাকে লে’খাপড়া করাচ্ছিলাম।

ছেলে প্রবাসী ও ধনী হও’য়ায় আমরা নুর নাহারকে বি’য়ে দেই। বিয়ের কয়েকদিন পর থেকে তার র’ক্তক্ষরণ শু’রু হয়। এ জন্য নুর নাহারের শাশুড়ি তাকে গ্রাম্য ক’বিরাজের ও’ষুধ খাওয়াচ্ছিল। পরে র’ক্তক্ষরণ বেশি হলে হা’সপাতালে ভর্তি করা হয়। ডাক্তাররা বলেছেন, অ’প্রাপ্ত বয়সে বি’য়ের কারণে নুর

না’হারের গো’পনাঙ্গ দিয়ে র’ক্তক্ষরণ হচ্ছিল। শেষ প’র্যন্ত আমরা তাকে আর বাঁ’চাতে পা’রলাম না। নুর নাহারের স্বামী রা’জিব তার লা’শ প’র্যন্ত দে’খতে আ’সেনি। মূলত স্বামীর কারণেই আমার না’তনির মৃ’ত্যু হ’য়েছে। নুর নাহারের স্বামী রাজিব বলেন, আমার বি’য়ের পর তার সাথে পাঁচ ছ’য়দিন

মে’লামেশা হয়েছে। সে (ছাত্রী) বলছে তার কষ্ট হয়, ব্যথার কথা জানান এবং র’ক্তক্ষর’ণ দেখা দেয়। বিষয়টি দু’পক্ষের গা’র্জেনদের জানানো হয়। গা’র্জিয়ানরা চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। নুর নাহারের শাশুড়ি বি’লকিস বেগম বলেন, আমি মনে করছি ভু’তপেতের আ’ছর করতে পারে, তাই ক’বিরাজ দিয়ে

তাবিজ এনে পরিয়েছি। তাতেও কোন উন্নতি না হওয়ায় তাকে টাঙ্গাইলে ক্লিনিকে নিছি। নুর নাহারের বাবা বলেন, রাজিবের বাবাকে ক’য়েকদফা ফোন দিয়েছি। তিনি বলছেন, আপনারা চিকিৎসা করান, আমি গিয়ে কি করব। আর ক্লিনিকে নুর নাহারকে তার পরিবারের কাছে বু’ঝিয়ে দিয়ে স্বামী রাজিব কৌশলে সেখান

থেকে কে’টে প’ড়ে। এদিকে নি’হত নুর না’হারের স্বামীর বা’ড়ির পক্ষ থেকে গ্রাম্য সালিশে বিষয়টি মীমাং’সার প্র’স্তাব অ’ব্যাহত রয়েছে। আ’ইনি প্র’ক্রিয়ায় এর বি’চার না হলে বা’ল্যবিয়ের বলী অ’ষ্টম শ্রেণির ছাত্রী নুর নাহারের পরিবার ন্যা’য়বিচার পা’বে না বলে দা’বি এলাকার স’চেতন মহলের।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামছুন নাহার স্বপ্না বলেন, বা’ল্যবিয়ের শি’কার হয়ে অষ্টম শ্রেণির একজন ছা’ত্রীর মৃ’ত্যু হ’য়েছে। বিষ’য়টি অ’ত্যন্ত দুঃখজনক। শুধু আ’ইন দিয়ে নয়, সা’মাজিক স’চেতনতাই পারে বা’ল্য বিয়ে নি’র্মূল ক’রতে। সমাজের সকলকে এ’কযোগে এর মো’কাবেলা ক’রতে হবে।bd24live