মিন্নিকে নয়, জী’বনের শে’ষ যে কথা যাকে বলেছিলেন রিফাত শরীফ

শনিবার, অক্টোবর ৩, ২০২০ ১১:২২ পূর্বাহ্ণ

জী’বনের শে’ষ যে ক’থা ব’লেছিলেন রিফাত শ’রীফ-মিন্নিকে নয়, জী’বনের শেষ ক’থাটি রি’কশাচালক দু’লালকে ব’লেছিলেন ব’রগুনা’য় হ’ত্যা’কা’ন্ডের শি’কার রি’ফাত শরীফ। গত ২৬ জুন ব’র’গুনা’য় দু’র্বৃত্যদের হা’তে খু’নের শি’কার হ’ন তি’নি। সেদিনের ভ’য়াব’হ ঘ’টনার বর্ণনা দি’য়েছেন ধা’রা লো অ’স্ত্রে র কো’পে র’ক্তা ক্ত

রি ফাতকে যে রি’কশায় ক’রে হা সপাতালে নে’য়া হয় সে রিক’শাচা লকের নাম দুলাল। দুলা’লের বাড়ি সদর ইউনিয়নের ফ’রাজীপুর এ’লাকায়। মঙ্গলবার দুপুরে ক’থাগুলো বলে’ন তিনি। ভ’য়াব হ সেই স্মৃ’তি হা’তড়ে তিনি সে দিনের ক’থাগু লো ব লে যা চ্ছিলেন। ঘ’টনার বিব’রণে দুলা ল বলেন, ও ইদিন ক লেজ রো ডে ক্ষ্যা প নি য়ে গে ছিলাম।

মা নুষের ভী ড়ের কা রণে আর সা ম নের দিকে যা ইতে পারি না। শু নলাম সা মনে কা রা যে ন কা’রে মা’রতেসে। প্যাসে ঞ্জারকে না’মায়ে আমি রিকশা ঘু’রায়ে কে বল দা ড়াইসি সেস ময় এক টা ছেলে র’ক্তাক্ত অ’বস্থায় হা ইটা আ’ইসা আমার রি’কশায় উ ইঠাই কয়, চাচা আ মারে তা ড়াতাড়ি হা’সপাতালে নি’য়া যান। সে’টাই ছি’ল ছে’লেটির

শে’ষ কথা। তিনি বলেন, আমি দে’খলাম ছেলে’টার গ’লা ও বু’কের বা’ম পা’শ কা’ইটা র’ক্ত বা’ইর হ’ইতাসে। হের জামা’টা টা’ইনা আ’মি গ’লা ও বু’কে চা’ইপা ধই’রা হে’রে ক’ইলাম আ’পনি চা’ইপা ধ’রেন, আ’মি চা’লাই। আমি হা’সপাতালে যাও’নের জন্য কে’বল সি’টে ব’সছি, চা’লামু, সেসময় এক’টা মেয়ে দৌ’ড়ে রি’কশায়

উ’ইঠা ও’ই পো’লাডারে ধ’ইরা বসে। আমি তা’ড়াতাড়ি রি’কশা চা’লাইয়া হাস’পাতালের দি’কে যা’ই। দুলাল আ’রো বলেন, এক মিনি’টের ম’ত রি’ফাত ঘা’ড় সো’জা ক’রে ব’সে ছি’ল। কিন্তু এর’পর সে মে’য়েটির কাঁ’ধে ঢ’লে প’ড়ে যা’য়। আর কাঁ’ধ সো’জা কর’তে পা’রে নি। আমা’দের রি’কশার পাশা’পাশি এক’টা লা’ল পা’লসার মো’টরসাইকেলে

দু’ইটা ছে’লে যা’চ্ছিল। মে’য়েটি চিৎ’কার ক’রে তা’র জ’খমে চেপে ধ’রে র’ক্ত থা’মানোর জ’ন্য তা’দের কা’ছে কা’পড় চা’ইছিলো, ও’রা সা’ড়া দে’য়নি। আমা’র কাছে মে’য়েটি ফো’ন চা’য় বা’ড়িতে জা’নানোর জন্য, কিন্তু আ’মার ফো’ন নাই। পরে ওই মোট’রসাইকেলের ছে’লেদের কা’ছেও সে ফো’ন চা’য়। মেয়ে’টি বলে, ভাই আ’নাদের এ’কটা

ফো’ন দেন, আমি একটু বা’বার কা’ছে ফোন করব। কিন্তু তারা বলে, আ’মাদের কা’ছে ফো’ন নাই, তুমি হা’সপাতালে যা’ইতেছো যা’ও। তিনি আরো বলেন, হাস’পাতালের গে’ইট দিয়ে ঢো’কার সময় মে’য়েটি এ’কজন লো’ককে ডা’ক দে’য়। রিকশা থা’মানোর সাথে সা’থেই ও’ই লো’ক দৌ’ড়ে আ’সে। রি’ফাতের অ’বস্থা দে’খে সেই

লো’ক স্ট্রে’চার নি’য়ে আসে। রি’ফাতকে রি’কশা থেকে না’মিয়ে স্ট্রে’চারে ক’রে অ’পারেশন থি’য়েটারে দি’য়ে আ’সি। রি’ফাতকে এ’ম্বুলেন্সে করে ব’রিশাল নিয়ে যা’বার ‘পর পু’লিশ আ’মার রিক’শার ছ’বি তুলে নে’য় আর কাগ’জপত্র নি’য়ে যা’য়। আমার রিক’শার কা’গজপত্র এখ’নো পু’লিশের কা’ছে আছে।banglarkhobor24