বালিশের ২ কোটি টাকায় অস্থির দেশবাসী, পল্লীবিদ্যুতের হাজার কোটি টাকার কেনাকাটায় নিরব কেনো?

শুক্রবার, মে ২৪, ২০১৯ ১:৪০ অপরাহ্ণ

বালিশের ২ কোটি টাকায় অস্থির দেশবাসী, পল্লীবিদ্যুতের হাজার কোটি টাকার কেনাকাটায় নিরব কেনো?

সাম্প্রতিক সময়ে পাবনার রুপপুর পারমানবিক কেন্দ্রের কিছু কেনাকটার তথ্য জনসমক্ষে উন্মোচন হলে দেশের সচেতন নাগরিকরা সরব হয়ে ওঠে, এটা জনসাধারণের সচেতনতার ইঙ্গিত বহন করে।

অনেক প্রতিষ্ঠানেই এমন কেনাকটায় সরকারের অর্থ হরিলুট করা হচ্ছে, এসব তথ্য অনেক সময় জনসমক্ষে আসেনা বা উচ্চমহলের কিছু দুর্নীতিগ্রস্থ কর্মকর্তা তা ঢেকে রাখতে প্রশাসনকে নিয়ম নীতির জালে আবদ্ধ করে রেখেছেন।

তেমনি একটি প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বাংলাদেশ পল্লীবিদ্যুতায়ন বোর্ড বা বি.আর.ই.বি,এই প্রতিষ্ঠানটির আওতায় সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসাবে বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় ৮০ টি পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি কাজ করছে,আর তার আওতায় শিল্প, বানিজ্যিক, আবাসিক মিলিয়ে গ্রাহক আছে প্রায় ৩ কোটি। এসকল গ্রাহকদের বিদ্যুৎ সেবা দিতে প্রতিষ্ঠানটি প্রতি বছর হাজার কোটি টাকার বেশী খুঁটি, তার,মিটার,ট্রান্সফরমার, হার্ডওয়্যারী মালামাল ক্রয় করে থাকে,এসকল মালামাল ক্রয়ে কোনপ্রকার অনিয়ম হয়না এমন নিশ্চয়তা কেউ দিতে পারবে?

বর্তমানে যে ভাবে বিভিন্ন অনিয়মের তথ্য বিভিন্ন মিডিয়াতে উঠে আসছে তাতে এই প্রতিষ্ঠানটিও সন্দেহের বাইরে নয়।

আমরা পল্লীবিদ্যুতের কিছু স্টাফদের গোপন সাক্ষাৎকার গ্রহণ করি তাতে এখানেও ব্যাপক দুর্নীতির ইঙ্গিত পাওয়া যায়,স্টাফদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গত ১০ বছরে শতভাগ বিদ্যুতায়ন সহ বিভিন্ন প্রকল্পে সরকারের দেওয়া বড় অঙ্কের অর্থের ব্যাবহার হয়েছে,তারা বলেন বিদ্যুতের খুটি, তার,মিটার,প্রতিষ্ঠানের যানবাহন ক্রয়ে অনেক অনিয়ম হয়েছে বলে তাদের ধারণা, তারা বিভিন্ন ভাবে অবগত হয়েছে যে,পল্লীবিদ্যুতায়ন বোর্ডের ভাউচারে ক্রয় মূল্যের সাথে বাজারের মূল্যের বিস্তর ব্যবধান,তাদের সন্দেহ এই ক্রয় অনিয়মের সাথে মন্ত্রণালয়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তাও জরিত আছে,নইলে এগুলো এখনও মাটিচাপা পরে আছে কেনো?
মুলত এই কেনাকাটাগুলো করে থাকেন বি.আর.ই.বি এর নির্ধারিত ক্রয় কমিটি, তারা তাদের পছন্দের প্রতিষ্ঠানের কাছথেকে কৌশলী টেন্ডারে পন্যগুলো ক্রয় করেন।

তার সরকারের দুর্নীতি বিরোধী মহৎই পদক্ষেপের প্রশংসা করেন এবং পল্লীবিদ্যতের বিষয়ে একটি জরিপ চালাতে সরকারকে বিশেষ ভাবে অনুরোধ করেন