নোবেলের স্ক্যান্ডাল ফাঁ’স! ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়া

বুধবার, আগস্ট ১৪, ২০১৯ ৬:১৭ অপরাহ্ণ

‘সা রে গা মা পা’ তারকা নোবেলের বি’রুদ্ধে বিয়ের প্রলো’ভন দেখিয়ে শ্লীলতাহানীর অ’ভিযোগ এনেছে ১৬ বছর বয়সী এক ছাত্রী। শাহরিন সুলতানা(ছদ্মনাম) নামের ভূক্তভোগী ছাত্রী অ’ভিযোগ করে বলেছে পিতার চাকরি সূত্রে গোপালগঞ্জে থাকার সময় থেকে নোবেলের সাথে তার প্রেমের স’ম্পর্ক গড়ে উঠে। এমনকি বিয়ের প্রলো’ভন দেখিয়ে নোবেল নিজের বাসায় তার সাথে ৭/৮ বার দৈহিক স’ম্পর্কেও মিলিত হয়।

ওই ছাত্রী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লিখেছে, ‘নোবেল, বাংলাদেশের লাখো মেয়ের ভালোবাসা। লাখো ছেলের আইডল। কিন্তু একমাত্র গোপালগঞ্জবাসীরাই চিনে ওর আসল রূপ। আজ আমি আপনাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিবো ভোলাভালা চেহারার পিছে লুকিয়ে থাকা এক হিংস্র জানোয়ারের সাথে যাকে আপনারা সবাই নোবেলম্যান নামে চিনেন। আমা’র মত অ’প্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের মিথ্যা প্রেমের জালে ফাঁ’সিয়ে ইজ্জত নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার উপর যদি নোবেল থাকতো, তাহলে তা এই সারাগামাপা খ্যাত মা’দকাসক্ত নোবেল-ই পেতো। মা’দক আর নারীর নে’শায় আসক্ত নোবেলকে আজ যখন কোটি মানুষ আইডল মানে, তা দেখে আসলেই দেশের ফিউচার জেনারেশান নিয়ে খুব ভয় হয়। মা’দকাসক্ততার কারনে দুইবার রিহ্যাবে গিয়ে মা’দকের নে’শা থেকে কয়েকদিন দূরে ছিল। কিন্ত নারীর নে’শার জন্যতো রিহ্যাব নেই। আর এটি কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে আমা’র মত শত শত মেয়ের জন্য।

নোবেলের সাথে আমা’র পরিচয় হয় গতবছরে, যখন আমা’র বয়স মাত্র ১৫। প্রেম ভালোবাসা এগুলো তত বুঝতামনা। নোবেল আমাকে বুঝতে শিখায় ভালোবাসা কি। বয়স কম থাকার কারনে ওর প্রতিটা ফাঁদে খুব সহ’জেই পরে যাই। এই ফাঁদে শুধু আমি পরিনি। আমা’র মত আরো অনেক মেয়েই পরেছে। মেয়েগুলো বেশিরভাগি অ’প্রাপ্তবয়স্ক ছিল। কিন্ত নোবেলের বি’রুদ্ধে মুখ খুলার সাহস সব মেয়েগুলোর দিন দিন নোবেলের জনপ্রিয়তা বাড়ার সাথে সাথে ক্রমশ কমতে থাকে। আজ আমি কিছুটা সাহস নিয়ে আসলাম। আমি ডিপ্রেশানে চলে গিয়েছি। মাঝে মাঝে নিজের জীবনটা দিয়ে দিতে মন চায়। কিন্ত আত্মহ’ত্যা মহাপাপ বলে তা পারিনা। যদিও আমা’র আত্মাটা নোবেল আরো আগেই মে’রে ফেলেছে।

আপনারা সবাই ভাবছেন নোবেল এগুলো কেমনে করে? আমি যদি বলি ওর এই সকল কুকর্ম ওর বাবা মা ও জানে তাহলে বিশ্বা’স করবেন? প্রত্যেকটা মেয়েকে ও ওর বাসায় নিয়ে যায় ফিজিক্যালি ইনভল্ব হওয়ার জন্য। ওর বাবা মা’র সাথেও পরিচয় করায় বন্ধু হিসেবে। অন্যদিকে মেয়েটাকে আশ্বা’স দেয় যে বাবা মা’র সাথেতো পরিচয় হয়েছেই। বিয়েও করবে মেয়েটাকে। এখনতো সব করা যায়। আমিও এই ফাঁদে পা দিয়েছি। ওর পিপাসা মিটলে ওর ওই বাবা মা’র সামনেই মেয়েটাকে অ’পমান করে বের করে দেয়। আর ওর বাবা মা কিছুই বলেনা। তাই ওর এমন হওয়ার পিছে ওর পরিবারো দায়ী!! নোবেলের নিজের একটা বোন আছে।

কিভাবে সে অন্যের বোনের জীবন এভাবে ধ্বংস করে আমা’র জানা নেই। অনেকেই বলবেন ওর নামে কেস করতে। ওর নামে কেস করেও লাভ নেই। পু’লিশ ওর বাবার পকে’টে থাকে। সবশেষে বলবো যে আমি জানি এই সমাজ আমাকেই খা’রাপ বলবে। আমি-ই গালি খাবো নোবেলের ফ্যানদের থেকে। কারণ আমাদের সমাজে সব দোষ মেয়েদেরই হয়। এই পোস্ট দিয়ে নোবেলের কিছুই হবেনা এটাও আমি জানি। কিন্তু যাই হোক না হোক, আমা’র ভিতরের মৃ’ত আত্মাটার কিছুটা শান্তি হবে এই জানোয়ারটাকে সবার সামনে তুলে ধরতে পারলে। ওর আসল চেহারা বাংলাদেশের প্রত্যেকটা মানুষের দেখা উচিৎ। ওর মত ছেলে লাখো ছেলের আইডল হোক, এটি মেনে নেওয়া যায়না। শত মেয়ের জীবন নষ্টের কারণ কোন মেয়ের ক্রাশ হতে পারেনা।

ওর ব্যাপারে সর্বশেষ জানলাম যে ঈদের আগের দিনও মাতাল হয়ে গোপালগঞ্জের একজনের উপরে মোটরসাইকেল উঠিয়ে দেয়। তার মানে রিহ্যাবে গিয়েও লাভ হয়নি। ও এখনো মা’দক সেবন করে। আর নারীর নে’শা কা’টানোর জন্যতো রিহ্যাব ও নেই। এই নে’শা ওর কাটবেনা!! আপনাদের বিশ্বা’স করানোর জন্য কিছু ছবি দিলাম।

ছবিগুলো কিছু ও তুলেছে কিছু আমি আমা’র আর ওর ছবি, ওর বাসার রুমের ছবি (বিশ্বা’স না হলে ওর বাসায় গিয়ে দেখে আসেন), কিউট হয়ে ঘুমিয়ে থাকার ছবিটিও দিলাম। এই অ’ভিযোগের বিষয়ে ‘সা রে গা মা পা’ তারকা নোবেলের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।