দেশের সব সরকারি পাটকল যাচ্ছে বেসরকারিখাতে, সব শ্রমিক ছাঁটাই

রবিবার, জুন ২৮, ২০২০ ১২:৪৬ অপরাহ্ণ

দেশের সব সরকারি পাটকল যাচ্ছে বেসরকারিখাতে-বাংলাদেশে আর রাষ্ট্র মালিকাধীন কোনো পাটকল থাকছে না, সব ছেড়ে দেয়া হচ্ছে বেসরকারিখাতে। দেশে সরকারি পাটকলগুলো পিপিপির আওতায় চলবে। পাটকল নিয়ে এমন সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম

দস্তগীর গাজী। আর শ্রমিকদের গোল্ডেন হ্যান্ডশেক দেয়া হবে অর্থাৎ বাধ্যতামূলক অবসর দেয়া হবে। রোববার (২৮ জুন) ভিডিও বার্তায় এমন সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রী।

আরো পড়ুনঃ নিজের মেয়ে না হলে পূজাকে বিয়ে করতেন মহেশ ভাট

মহেশ ভাট বলিউডের ছবি নির্মাতা হিসেবে যতটা খ্যাতি অর্জন করতে পেরেছেন, ততটাই বিতর্কিত হয়েছেন। সম্প্রতি অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃ’ত্যুর পর নতুন করে আলোচনায় মহেশ ভাট। সুশান্তের কথিত প্রেমিকা রিয়া চক্রবর্তীর সঙ্গে এই নির্মাতার ঘনিষ্ঠতা সুশান্ত ভক্তদের মনে সন্দেহের সৃষ্টি করেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মহেশ ভাট সম্পর্কে নেতিবাচক মন্তব্য করছেন অনেকে। তবে এবারই প্রথম মহেশ ভাট এমন বিতর্কে জড়ালেন তা নয়। প্রেম, বিয়ে, মদপানসহ নানা ঘটনায় অনেকবারই মিডিয়ার আলোচনায় এসেছেন এই নির্মাতা। অন্য ধর্মের মেয়েকে বিয়ে করে মহেশ ভাট প্রথম আলোচনায় আসেন। মুসলিম পরিবারে একজন সিঙ্গেল মাদারের কাছে বড় হয়েছেন মহেশ ভাট।

তবে বিয়ে নিয়ে তার বাছবিচার ছিলো না। ছোটবেলার বন্ধু লরেইন ব্রাইটকে তিনি বিয়ে করেন। পরে লরেইনের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় কিরণ ভাট। তিনি পূজা ও রাহুল ভাটের মা। ভালোবেসে বিয়ে করলেও মহেশ ভাট ও কিরণের দাম্পত্য জীবন মোটেও সুখের ছিলো না। এর মধ্যে অভিনেত্রী পারভীন ববির সঙ্গে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়ান মহেশ ভাট। কিন্তু সিজোফ্রেনিয়া রোগে

আক্রান্ত হন ববি। এরপর ববির মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে মহেশ-ববির ভালোবাসার করুণ পরিণতি হয়। মহেশ ভাটের অনেক সিনেমায় তার জীবনের এই গল্প ফুটে উঠেছে। এর মধ্যে একটি সিনেমা হলো কঙ্গনা রাণৌত অভিনীত ‘ওহ লামহে’। ধারণা করা হয় পরভীন ববির এই পরিণতির জন্য মহেশ ভাট দায়ী।
কিরণ ভাটের সঙ্গে ডিভোর্স ও জীবনের বেশ কিছু তিক্ত সময় পার করে আবারো প্রেমে পড়নে মহেশ ভাট।

এবার তার জীবনে আসে সোনি রাজদান। তাকে বিয়ের জন্য মহেশ ভাট ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। এই দম্পতির দুই মেয়ে আলিয়া ভাট ও শাহিন। ফিল্ম ফেয়ার ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে মেয়ে পূজা ভাটের সঙ্গে চুমুর ছবি প্রকাশ পেলে ফের বিতর্কে আসেন মহেশ ভাট। মহেশ ভাট সে সময় বলেছিলেন, পূজা যদি আমার মেয়ে না হতো ওকে বিয়ে করতাম।

এক সময় অ্যালকোহল মহেশ ভাটের জীবনসঙ্গী ছিলো। এ প্রসঙ্গে পূজা ভাট এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, আমি তাকে মদ আঁকড়ে ধরে থাকতে দেখেছি। তাকে সেই পথ থেকে ফিরে আসতেও দেখেছি। আমার কাছে এটি বড় অর্জন বলে মনে হয়। পূজা ভাটের সঙ্গে বাবা মহেশ ভাটের চমৎকার বোঝাপড়া ছিলো। মেয়ের অনেক আবদার মহেশ ভাট ফেলতে পারেননি। এ নিয়ে পূজার কিছুটা গর্বও আছে। ভাই-বোনদের থেকে আমি একটু এগিয়ে আছি। কারণ আমি তার সঙ্গে সিনেমা করেছি তা নয়, তাকে হতাশায় নিমজ্জিত থাকতে এবং সেখান থেকে মাথা তুলে দাঁড়াতেও দেখেছি।bd24live