জানাগেল ইরফানের ‘ওয়া’কিটকি বেজ স্টেশন’ বা’নানোর পেছনের র’হস্য!

বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২০ ১২:৩৬ অপরাহ্ণ

বা’নানোর পেছনের র’হস্য-পুরান ঢাকার এলাকায় চাঁ’দাবা’জি, রা’জনৈতিক আ’ধিপত্য ও দ’খলদারিত্বের নি’য়ন্ত্রণে ইরফান সেলিম ওয়্যারলেস নে’টওয়ার্ক সেন্টার গড়ে তোলেন। চকবাজারের চক সার্কুলার রোডে মদীনা আশিক টাওয়ারের ছাদে আ’ইনশৃঙ্খলা র’ক্ষাকারী বা’হিনীর মতো একটি কন্ট্রোল রুম স্থাপন

করেছিলেন ইরফান। এসব কাজের জন্য ৩৮টি ওয়াকিটকি ব্যবহার করা হতো। মদীনা আশিক টাওয়ারে এবং বাসার চার তলার নিজস্ব কক্ষে স্থাপন করেছিলেন ওয়াকিটকি বেজ স্টেশন। ইরফান ও তার সহযোগিরা ওয়াকিটকির মাধ্যমে চার বর্গ কিলোমিটার এলাকায় যোগাযোগ করতেন। র‌্যাবের

তথ্য অনুযায়ী, গত কাউন্সিলর নির্বাচনের আগে মদীনা আশিক টাওয়ারের ১৭ তলায় ইরফানের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে ভিএইচএফ ডিভাইস ও একটি উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন এন্টেনা স্থাপন করেন। এসব ডিভাইস বিদেশ থেকে অবৈধ পন্থায় দেশে নিয়ে আসেন ইরফান। ওয়াকিটকি সেট ব্যবহার বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ

নি’য়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) কোনো অনুমোদন ও লাইসেন্স ছিল না। র‌্যাব সূত্র জানায়, ইরফানের নি’জস্ব ওয়্যালেস ওয়াকিটকি নেটওয়ার্কে যোগাযোগ আ’ইনশৃঙ্খলা র’ক্ষাকারী বা’হিনী শনা’ক্ত করতে পারতো না। এই অ’বৈধ সুযোগটি নিয়ে ইরফান অপ’কর্মের সাম্রাজ্য নি’য়ন্ত্রণ এবং চাঁ’দাবা’জি করতেন।

এর জন্য ইফরান একটি ক্যা’ডার বা’হিনী তৈরি করেন। এছাড়া মদীনা আশিক টাওয়ারের টপ ফ্লোরে ইরফানের এ’কটি ট’র্চার সে’ল র’য়েছে। যারা তার মতের বিরু’দ্ধে যেতেন, তাদের ওই ট’র্চার সে’লে এনে নি’র্যাত’ন চালাতেন এবং ভ’য়ভী’তি দে’খাতেন। ইরফানের দে’হর’ক্ষী ছিলেন ১২ জন। এদের মধ্যে জাহিদুল

ইসলাম ছিলেন চকবাজারের একজন ত্রা’স। দে’হর’ক্ষীদের সবার সঙ্গে অ’বৈধ অ’স্ত্র থাকতো বলেও তথ্য রয়েছে। আধিপত্যের সাম্রাজ্য নি’য়ন্ত্রণ ও হাজী সেলিমের পরিবারের নি’রাপত্তার জন্য বে’তনভুক্ত আরো ৩৫ জন ক্যা’ডার রয়েছে বলেও জানায় র‌্যাবের ক’র্মকর্তারারা। র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইয়ংয়ের পরিচালক

লেফট্যানেন্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ বলেন, `নিজ বাসা ও তার ব্যক্তিগত কার্যালয়ের উপরে ভিএইচএফ ওয়াকিটকি বেজ স্টেশনটি মূলত এলাকায় চাঁ’দাবা’জি ও স’ন্ত্রা’সী কার্যক্রম এবং আধিপত্য বিস্তারের জন্য নিজের খরচে অবৈধভাবে এটি স্থাপন করেছিলেন ইরফান সেলিম। সূত্র: বাংলা ইনসাইডার।