জাতিসংঘে ইমরান খানের পরমাণু যুদ্ধের হুঁ’শিয়া’রি ভাষণের পরই পাল্টে গেছে কাশ্মীর পরিস্থিতি

রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০১৯ ১১:৪৪ পূর্বাহ্ণ

জাতিসংঘের সাধারণ সভায় পরোক্ষে পরমাণু যুদ্ধের হুঁ’শিয়া’রি দিলেন পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। জাতিসংঘের জাতিসংঘের সভায় দাঁড়িয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আমি কোনও হু’ম’কি দিচ্ছি না।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক মহলকে ভাবতে হবে তারা ১৩০ কোটির বাজারকে তোষণ করবেন, না নিরীহ নিরপ’রা’ধ নাগরিকদের পাশে থাকবেন। দুটি পরমাণু শক্তিধর দেশ যদি যু’দ্ধ করে তার প্রভাব কিন্তু গোটা বিশ্বেই পড়বে।

জাতিসংঘের মঞ্চে পাকিস্তানের বি’রু’দ্ধে একটি কথাও বলেননি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি তার বক্তৃতায় একবারও পাকিস্তান শব্দটি উল্লেখ করেননি। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান অবশ্য সে পথে হাঁটেননি। জাতিসংঘের মঞ্চে ভারতের প্রতি বি’দ্বে’ষ এবং ঘৃ’ণা উ’গ’রে দিলেন তিনি। ব্যক্তিগত স্তরে আ’ক্র’ম’ণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং আরএসএসকে।

পরমাণু যু’দ্ধের হুঁ’শি’য়া’রি ইমরান আগেও দিয়েছিলেন। কিন্তু, জাতিসংঘের মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি ফের এই হুঁ’শি’য়া’রি দেবেন তা অনেকেই ভাবেননি। তিনি বলেছেন, মোদি আজীবন আরএসএসের সদস্য। আরএসএস হিটলার-মুসোলিনির আদর্শে অনুপ্রাণিত। সংঘ ভারত থেকে মুসলিমদের মুছে ফেলার ‘জাতি শোধন’ তত্ত্বে বিশ্বাসী। এই ঘৃ’ণার মানসিকতাই গান্ধিকে খু’ন করেছিল।

তিনি বলেন, এই আদর্শেই ২০০২ সালে নরেন্দ্র মোদি মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন গুজরাটে মুসলিমদের নিয়ে দা’ঙ্গা বাঁধিয়েছিল। প্রাক্তন কংগ্রেসি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজেই বলেছেন, আরএসএস ক্যাম্পে জ’ঙ্গি তৈরি হয়। এই জ’ঙ্গিরাই ২০০০ মুসলিমকে কে’টে ফেলেছিল। ঘরছাড়া হয় দেড় লক্ষ মুসলিম। কাশ্মীরে কারফিউ নিয়েও সরব হন ইমরান খান। তার হুঁ’শি’য়া’রি, কারফিউ তুললে কাশ্মীরে র’ক্তব’ন্যা বইবে।

বালাকোট এয়ার স্ট্রাইক প্রসঙ্গেও এদিন সরব হন ইমরান। এতদিন পাক সেনা এই এয়ার স্ট্রাইকের কথা অস্বীকার করলেও, এদিন জাতিসংঘের মঞ্চে হা’ম’লার কথা স্বীকার করে নেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, দশটা গাছ ছাড়া কিছুরই ক্ষ’তি হয়নি ভারতের হামলায়। ভারতের এক পাইলট ধ’রা পড়েছিলেন। আমরা তাকে মুক্তি দিয়েছি। অথচ এটাকে শা’ন্তি প্রক্রিয়া না ভেবে ১৫০ জন জ’ঙ্গি মারা গেছে বলে ভোটে মি’থ্যা প্রচার চালিয়েছেন মোদি। সূত্র : পাক সংবাদ মাধ্যম ডন।