ছাত্রীর জন্য পাগল শিক্ষক, নিজের স্ত্রীকে পাঠালেন বাবার বাড়ি

শুক্রবার, আগস্ট ৩০, ২০১৯ ১২:১৭ অপরাহ্ণ

একের পর এক বের হচ্ছে নাটোর সরকারী বালিকা উচ্চ বিদালয়ের ছাত্রীদের যৌ’ন নিপীড়নকারী শিক্ষকদের খোঁজ। সম্প্রতি শারীরিক শিক্ষা শিক্ষক আব্দুল হাকিম গ্রে’ফতার হবার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হচ্ছে শিক্ষক কর্তৃক বিভিন্ন সময়ে ছাত্রীদের যৌ’ন নি’পীড়নের ঘটনা। বছরখানেক আগে সাবেক এক ছাত্রীর সাথে ঘটে যাওয়া বর্তমানে কর্মরত এক শিক্ষকের নিপীড়নের ঘটনা ফেসবুকে উঠে এলে বেরিয়ে আসে ওই শিক্ষকের কু’কীর্তি।

আলোচিত ওই শিক্ষকের নাম সাইফুল ইসলাম। তিনি গণিতের শিক্ষক। এই শিক্ষকের সাথে স্কুলের প্রাক্তন এক ছাত্রীর ফেসবুক কথোপকথন এসেছে এই প্রতিবেদকের কাছে। এর সূত্র ধরে অনুসন্ধান চালিয়ে বের করা হয়েছে গত ৩দিনে ঘটে যাওয়া বেশ কিছু ঘটনা যা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

গত ২৬শে আগস্ট তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীর অভিভাবকের অভিযোগের প্রেক্ষিতে গ্রে’ফতার হন স্কুলের শারীরিক শিক্ষা শিক্ষক আব্দুল হাকিম। এ সংবাদ ওইদিন বিকেল থেকে স্থানীয় বিভিন্ন অনলাইন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হবার পর ভাইরাল হয়। নাটোর থেকে প্রকাশিত একটি অনলাইন পত্রিকার ফেসবুক পেইজের কমেন্টে শহরের লালবাজার এলাকায় বসবাসকারী স্কুলের সাবেক এক ছাত্রী তার এক সহপাঠীকে শিক্ষক সাইফুল কর্তৃক নি’পীড়নের ঘটনা প্রকাশ করে।

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সাইফুল ওই ছাত্রীকে ফেসবুকের মন্তব্য প্রত্যাহারে হু’মকি দেন। রাজী না হলে মন্তব্যকারী ওই তরুণীর বাড়িতে চলে এসে তাকে হু’মকি দেন। তরুণী ভীত হয়ে মন্তব্যটি প্রত্যাহার করেন পুরো বিষয়টি তার এক ভাইকে জানান। সেলফোনে ওই ভাই সাইফুলের সাথে কথা বলে উল্টো তরুণীকে দেখে নেবার কথা বলে তার বাড়িতে আসেন। ততক্ষণে মন্তব্য প্রত্যাহারের বিষয়টি না জেনে তরুণীর বাড়িতে সাইফুল জানতে পারেন তরুণীর ভাই শহরের প্রভাবশালী ব্যক্তি। এতে ভীত হয় ক্ষমা চান শিক্ষক সাইফুল। স্থানীয়রা বিষয়টি জানার পর ওই রাতেই লালবাজার এলাকায় সাইফুলকে গ’ণপিটুনি দেন।

পরদিন সাইফুলের সাথে তরুণীর সহপাঠীর ফেসবুক কথোপকথন ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ওইদিন রাতে কথোপকথনের চৌকস অংশ পৌছায় এই প্রতিবেদকের নিকট।