ওসি প্রদীপের রো’ষানলে ২৩ মাস ধরে জে’লে সাংবাদিক ফরিদুল

বৃহস্পতিবার, আগস্ট ৬, ২০২০ ৬:৫২ অপরাহ্ণ

২৩ মাস ধরে জে’লে সাংবাদিক ফরিদুল-কক্সবাজার টেকনাফের ওসি প্রদীপ কুমার দাসের রো’ষানলে পড়ে স্থানীয় সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা ২৩ মাস ধরে কা’রাগারে রয়েছেন। ক্র’সফা’য়ারের ভ’য়ে ও নি’রাপত্তার কা’রণে তাকে জা’মিনে বের করছেনা পরিবার। দু’র্নীতি ও অ’নিয়মের সংবাদ

প্রকাশের জে’রে ‘কক্সবাজার বাণী’ পত্রিকার সম্পাদক ফরিদুল মোস্তফাকে মা’দক মা’মলায় ফাঁ’সানোর অ’ভিযোগ উঠেছে টে’কনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দা’সের বি’রুদ্ধে। ক্র’সফা’য়ারের ভ’য়ে রা’তের আ’ধারে কক্সবাজার থেকে পা’লিয়ে আসা ফরিদুল মোস্তফার জীবন আজ নি’স্তেজ।

অসহায় স্ত্রী, সন্তান, পিতা-মাতাও আজ অসহায়। দো’ষ একটাই পু’লিশের দু’র্নীতি ও অ’নিয়মের সং’বাদ লি’খতো মোস্তফা। অ’ন্ধ প্রায় চোখ, ডানা হাত ভাং’গা, আ’ঙ্গুল থে’তলানো মোস্তফা বুঝি আর সাং’বাদিকতা করতে পারবে না। জানা যায়, সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফার পরিবারকে নানাভাবে হ’য়রা’নি করেছেন টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাস।

কোনো প’রোয়ানা ছা’ড়াই ঢাকার পল­বী থেকে তাকে ধ’রে নি’য়ে টেকনাফ থা’নায় তি’ন দি’ন আ’টকে রে’খে অ’মানুষিক নি’র্যাত’ন করা হয়। পরে মি’থ্যা মা’মলা দিয়ে আ’দালতে পাঠানো হয় সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খানকে। ২০১৯ সালে বাংলাদেশ ক্রা’ইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন

মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ফরিদুল মোস্তফার স্ত্রী হাসিনা আক্তার লি’খিত ব’ক্তব্যে এসব অ’ভিযোগ জানান। ফরিদুল মোস্তফার স্ত্রী হাসিনা আক্তার জানান, ‘তার স্বামী বিভিন্ন সময় টেকনাফ থা’নার ওসিসহ পু’লিশ সদস্যদের নানা অ’নিয়ম ও দু’র্নীতির সং’বাদ প্রকাশ করেছেন।

এ কারণে তাকে ২০১৯ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রাজধানীর মিরপুর এলাকার বা’সা থে’কে ধ’রে নিয়ে শা’রীরিক নি’র্যাত’ন করে মিথ্যা মা’মলায় ফাঁ’সানো হয়েছে। সেসময় তার চোখে ম’রিচের গুঁ’ড়া দিয়ে নি’র্যাত’ন করায় বর্তমানে দুটি চোখই ন’ষ্ট হওয়ার উ’পক্র’ম হয়েছে। এছাড়া তার হা’ত-পা ভে’ঙে দি’য়েছে পু’লিশ।

চিকিৎসক জানিয়েছেন তার এক চোখ ন’ষ্ট হয়ে যে’তে পারে’। ফরিদুল মোস্তফার মেয়ে সুমাইয়া মোস্তফা খান জানান, পু’লিশ ঠা’ন্ডা মা’থায় তার বাবাকে মা’মলা দিয়ে স’মাজে তাদের প’রিবারটিকে হে’য় করেছে’। ‘তাদের পরিবারের কেউ কোনো মা’মলার আ’সামি নয়। কখনো তারা কোনো অ’নিয়মে জড়াননি’।বার্তাবাজার