আফগানিস্তান সিরিজের জন্য এই মাত্র বাংলাদেশের প্রধান কোচের নাম জানালো বিসিবি

সোমবার, আগস্ট ৫, ২০১৯ ৬:১৭ পূর্বাহ্ণ

শ্রীলঙ্কা সিরিজে কোচহীন ছিলো বাংলাদেশ দল। সেই সিরিজে বাংলাদেশ দলের দায়িত্বে ছিলেন সুজন। ফলস্বরূপ হিসেবে সেই সিরিজে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হোয়াইটওয়াশ হতে হয় বাংলাদেশ দলকে। তবে আফগানিস্তান সিরিজের আগেও বাংলাদেশ দল হেড কোচ পাচ্ছে না। আর যার কারণেই এই সিরিজে বাংলাদেশ দলের হেড কোচের দায়িত্বে থাকছেন সুজন। এমনটাই জানিয়েছেন বিসিবির মাহবুব আনাম।

এই ব্যাপারে তিনি বলেন, আসলে কি আমরা কোচ খুঁজছি। আমাদের পছন্দের তালিকায় ছিলো বিদেশী কোচ। যে কারণেই আমরা বিদেশী কোচদের প্রাধান্য দিচ্ছি। তবে আমাদের পছন্দের তালিকায় বেশ কিছু কোচ আছে। যেহুতু তাদেরকে এখনো নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে না তাই সামনের সিরিজে কোচের দায়িত্বে থাকবে সুজন।

যদিও অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে বেশ অনাগ্রহ তার। কয়েকদিন আগে একাধিক সংবাদমাধ্যমের সাথে আলাপকালে বোর্ডের এই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, দীর্ঘ ও পূর্ণ মেয়াদে জাতীয় দলের কোচের দায়িত্ব পালন করতে চান তিনি।

আর সেক্ষেত্রে বোর্ড পরিচালকের দায়িত্ব থেকে অব্যাহত নিতেও নেই আপত্তি। যদিও আপাতত অস্থায়ী কোচের আসনে বসেই গিয়েছেন সুজন। বোর্ড নতুন কোনো কোচ খুঁজে পেলে হয়ত আবারো সরে যেতে হবে এই অন্তর্বর্তীকালীন কোচের পদ থেকে।

তিনি বলেন, ‘আমরা কিছু আবেদন পেয়েছি। কিছু হাই-প্রোফাইল কোচ আমাদের সাথে যোগাযোগ করেছে। টি-টোয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের কারণে কিছু কোচ জাতীয় দলের পাশাপাশি সেখানেও দায়িত্ব পালন করতে চায়। কিন্তু আমাদের প্রয়োজন ফুল টাইম কোচ।

অতীতেও বাংলাদেশ এ ধরনের সমস্যায় পড়েছিল। কোচরা ঘরোয়া আসরেও কোচের দায়িত্ব পালন করতে চান। কিন্তু বিসিবি এতে রাজি নয়। তাই এবারও ফুল টাইম কোচ নিয়োগের ব্যাপারে সজাগ বিসিবি। আশা করা হচ্ছে বিসিবির চাহিদা মত কোচ পাওয়া সম্ভব হবে। আনুষ্ঠানিক আবেদনের পাশাপাশি অনেকে বিভিন্নভাবে কোচ হবার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানান নিজামউদ্দিন। তাই খুব দ্রুতই বোর্ডের প্রয়োজন মত কোচ পাওয়া যাবে বলে মনে করেন তিনি।

নিজামউদ্দিন বলেন, ‘অনেকেই কোচ হবার জন্য আগ্রহ দেখিয়েছে। কিন্তু এখনও আমরা তা জানি না। বিভিন্ন সূত্রের মাধ্যমে, অনেকেই আগ্রত দেখিয়েছে এবং আমাদের সাথে যোগাযোগ করেছে। যারা যোগাযোগ করেছে তারা আমাদের জানে না বা তাদের এজেন্টও জানে না।