আচরণ বদলে ফেলছে করোনা? লক্ষণ নেই কিন্তু আ’ক্রান্ত, ঘটছে আ’কস্মিক মৃ’ত্যু!

শুক্রবার, জুন ২৬, ২০২০ ৭:৫০ পূর্বাহ্ণ

লক্ষণ নেই কিন্তু আ’ক্রান্ত, ঘটছে আ’কস্মিক মৃ’ত্যু-করোনাভাইরাসের নতুন আ’চরণ উদ্বেগ বাড়াচ্ছে চিকিৎসক মহলে। ভারতের বিজ্ঞানীরা করোনার নতুন আ’চরণে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। কোনো ব্যক্তির মধ্যে করোনার কোনো লক্ষণ না থাকলেও আ’চমকাই মৃ’ত্যু হচ্ছে তার। পরে দেখা যাচ্ছে,

তিনি করোনা আ’ক্রান্ত ছিলেন। ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশে এ ধরনের মৃ’ত্যুর ঘটনা বেশ কয়েকটি ঘটেছে। এতে রী’তিমত চিন্তায় পড়েছেন রাজ্যের চিকিৎসকরা। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, রোগীর মধ্যে করোনার কোনো লক্ষণ না পাওয়া গেলেও হঠাতই শারী’রিক প’রিস্থিতির অ’বনতি হচ্ছে তার।

চিকিৎসার শুরুর আগেই মৃ’ত্যু হচ্ছে রোগীর। মেডিক্যাল রিপোর্ট জানাচ্ছে, যদি কোনো ব্যক্তির থেকে অন্তত ২০০ জন করোনা আ’ক্রান্ত হন, তবে তার এভাবে মৃ’ত্যু হতে পারে। মেডিক্যাল প’রিভাষায় এই ব্যক্তিকে বলা হচ্ছে সুপার স্প্রে’ডার। উল্লেখ্য, অ’ন্ধ্রপ্রদেশের পূর্ব গো’দাবরী জেলার পেডাপুডি ও

সং’লগ্ন এলাকায় এরকম এক ব্যক্তির সন্ধান মি’লেছে যার মধ্যে করো’নার কোনো লক্ষণ ছিল না। অথচ তিনি সুপার স্প্রেডার ছিলেন। স্থানীয় কাঁকিনাড়ার একটি হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর আধঘণ্টার মধ্যে তার মৃ’ত্যু হয়। গবেষকরা জানাচ্ছেন, এই ধরনের অ্যা’সিম্পোটোম্যাটিক রোগীরা প্রাথমিকভাবে সুস্থ বলেই মনে করা হয়। কিন্তু ভেতরে বাইরে বিভিন্ন অংশের ক্ষ’তিসাধন করে চলে।

আচমকাই তাদের র’ক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যায়। এর ফলে চিকিৎসার বিন্দুমাত্র সুযোগও মেলে না। তারা খুব দ্রুত মা’রা যান। এদিকে, গোটা বিশ্ব এখন মার’ণভাইরাস করো’নার দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্র’হর গুনছে। প্রথম দফাতে গোটা বিশ্বজুড়ে কা’র্যত ধ্বং’স য’জ্ঞ চালিয়েছে ভা’ইরাস। দ্বিতীয় দফায় কতটা ভ’য়ংকর হতে পারে সেটা ভেবেই আ’তঙ্কিত মানুষজন। কবে এই মা’রণরো’গ থেকে মুক্তি মিলবে তার কোনো স’ঙ্কেত এখনো পাওয়া যায়নি। তবে যু’দ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে ভ্যা’কসিন তৈরির কাজ।

কিন্তু নির্দিষ্ট ভ্যাকসিনেই যে এই ভাই’রাসকে মা’রা যাবে সে বিষয়েও ধারণা মেলেনি এখনো। তবে বিজ্ঞানীদের আশা, খুব শি’গগিরই হয়তো এর থেকে রক্ষা করা যাবে বিশ্বের মানুষকে। বিশেষ করে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি’র একটি গবেষণা অ’ন্তত সেটাই বলছে। তাদের মতে, আগামী অক্টোবরেই আ’ত্মপ্রকাশ করবে কভিড-১৯ এর প্র’তিষেধক। ইতোমধ্যে অ’ক্সফোর্ড তাদের সম্ভাব্য চ্যাডক্স১ এনকোভ-১৯ ভ্যাকসিনের তৃতীয় দফার পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু করেছে।

একটি ওষুধ প্রস্তুতকারক সং’স্থার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে অ’ক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এই ভ্যাকসিন তৈরি করেছে। তবে করো’নাভাইরাসের ভ্যাকসিন ন্যাজাল স্প্রে বা ইনহেলার হিসেবে দেওয়া হলে আরো ভালো কাজ করবে বলে মনে করছেন অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি এবং লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজের গবেষকরা। আর সেই লক্ষ্যেই এখন কাজ করছেন তারা। অক্সফোর্ডের একটি গবেষণা জানাচ্ছে, ইতোমধ্যে তাদের তৈরি ভ্যাকসিন পরীক্ষা করা হয়েছে কয়েক দফাতে। সূত্র: কালের কণ্ঠ